ছাত্র অসন্তোষ, একটি আর্তনাদেরগল্প (Student unrest, a artanaderagalpa!)

বস্ত্র
আমার অধিকার, বাপের টাকায়
ইয়েলোতে পোশাক কিনবো ভ্যাট দিবো
না, খাদ্য অধিকার, বাপের টাকায়
নান্দুসে চিকেন খাব ভ্যাট কেন দেবো!
চিকিৎসা অধিকার, স্কয়ারে ট্রিটমেন্ট
নিবো কিন্তু অব্জেকশান এবাউট ভ্যাট,
বাস স্থান আমার অধিকার, বাড়ি কিনবো
বসুন্ধরায়, দিবোনা ভ্যাট, শিক্ষা
অধিকার, বাপের টাকায় ব্রাকে পড়বো,
নো ভ্যাট……. নো ভ্যাট অন ক্লথ, ফুড,
ট্রিটমেন্ট, হোম এন্ড এডুকেশান ! পার্থক্য
আছে?
শুধু নো ভ্যাট অন এডুকেশান কেন? টু
প্রোটেক্ট আন কাউন্টেবল একাউন্টস অব
প্রাইভেট এডুকেশনাল ইন্সটিটিউশন?
কেন বলা হচ্ছেনা, শিক্ষা আমার
অধিকার, হয় আমাকে শিক্ষার সুযোগ দাও
নয়তো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
গুলোকে বাধ্যতামূলক অলাভজনক
প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষনা দাও !
বানিজ্য করবে বেনিয়া, সরকার খাবে
ভ্যাট তার দায় কেন নিরুপায় ছাত্রদের
উপর বর্তাবে? কেন লাগামহীন টিউশন ফি
এর উপর নিয়ন্ত্রন থাকবে না সরকারের?
শিক্ষামান যাচাইয়ের কোন নিয়ন্ত্রক
কেন থাকবে না?
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সীমিত, শিক্ষা
চাহিদা অসীম, নিরুপায় হয়েই
শিক্ষার্থিদের ভর্ত্তি হতে হয় এসকল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর এই শিক্ষা
চাহিদা কে কাজে লাগিয়ে ব্যাবসা
ফাদিয়ে বসেছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
গুলো, ট্রাস্টের নামে আন একাউন্টেবল
ফান্ড আসছে তাদের তহবিলে, অনেকেই
ইনভেস্ট করে এই লাভজনক শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান গুলোতে ট্রাস্টের আইন গত
সুবিধা ভোগ করছে, সরকার অনেক
অমিমাংশিত প্রশ্নের সমাধান না করেই
যখন গোয়ার্তুমি করে এসব প্রতিষ্ঠানে
ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নিলো, এটাকেই
কাজে লাগালো এসব শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষেরা, ছাত্রদের উপর
ভ্যাট চাপিয়ে ক্ষেপিয়ে দিয়ে ভিন্ন
খাতে প্রবাহিত করে দিলো তাদের
মৌলিক চাহিদাগুলোর অসন্তোষকে,
কিংকর্তব্যবিমূঢ় শিক্ষার্থিরা হতবিহ্বল
হয়ে ঝাপিয়ে পড়লো পথে, বুঝতেও
পারলোনা কি তাদের চাইতে হবে,
কর্তৃপক্ষের শেখানো মতে বল্ল ” নো ভ্যাট
“! কর্তৃপক্ষ গুলো পেছনে দাড়িয়ে মুচকি
হেসে ভাবলো , যা তোরা গুলি খেয়ে
আমাদের বাঁচা ।
অসহায়, নিরুপায় শিক্ষার্থিরা বুঝতেও
পারলোনা, কি তাদের চাওয়া, কি তাদের
দাবি হওয়া উচিত, কি তাদের অধিকার
আর কি তাদের প্রাপ্য শুধু আত্ম
মর্যাদাহীনতার, অসন্মানের গ্লানিতে ভুল
আক্রোশে জানিয়ে দিতে চাইলো, উই আর
সাব্জেক্ট অব ডিস্ক্রিমিনেশন, উই আর
ডিপ্রাইভড, প্লিজ সেভ আওয়ার প্রাইড ।
জানিনা তারা আদৌ বুঝতে পারবে কিনা
এখনো সময় আছে, এ অসন্তোষ থেকে জন্ম
হতে পারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুধু
ভ্রান্তি গুলো কাটিয়ে উঠে স্পট করতে
হবে অবস্থান, পরিষ্কার করতে হবে
ফিলসফি উইদাউট ডাউট ।
“নো ভ্যাট” নয় বলা দরকার ” নো
বিজনেস” উইথ এডুকেশান ।
-------------------------------------------------------------------
প্রজন্মের ভাবনায়, ব্যারিস্টার নুর উস
সাদিক
আসাদগেট, ঢাকা।

Related Posts
Previous
« Prev Post